তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে উত্তর ও দক্ষিন মালদা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করলো কংগ্রেস

Zoom In Zoom Out Read Later Print

কংগ্রেস প্রার্থীর অভিযোগের সাথে সহমত হয়েছেন বিজেপিও। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর বলেন, রাজ্যের প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে নজরদারি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন কর্মীসভা ও মিটিং মিছিলে অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে পাঠিয়ে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা সমস্ত বিষয় নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা, ১৫ এপ্রিল;

উত্তর ও দক্ষিন মালদা কেন্দ্রে শাসকদল সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করলে কংগ্রেস। অন্যদিকে একই অভিযোগ তুললেন বিজেপি ও সিপিএম। পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের বদলির দাবি তোলেন ঈষা খান চৌধুরী। শাসক দলের সন্ত্রাস থেকে নির্বাচনকে সুষ্ঠ ভাবে করার আবেদন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানান ঈষা।

নির্বাচনী ঘোষনা হতেই সব রাজনৈতিক দল জোর কদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে কংগ্রেসের ঈষা খান চৌধুরীর সর্মথনে প্রচারে আসেন অভিনেত্রী নাগমা। শনিবার প্রথম প্রচার এরপর রোড এলাকায় অভিনেত্রী নাগমা প্রচারে জান। সেই সময় ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জনসভায় ঢুকে মারধর ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। তাদের সভা বানচালের চেষ্টা করে। যদিও প্রশাসনের তৎপরতায় পরবর্তীতে সভা করা হয়। এরপরই রবিবার দুপুর বেলা চাচোল এর কুড়িগ্রামে কংগ্রেসের সভা ছিল। সেই সময় সবার মধ্যে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও কর্মীদের মারধর করে। এতে উভয়পক্ষের আহত হয় 8 জন কর্মী। তারা বর্তমানে চাচল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে উত্তর মালদার প্রার্থী ইশা খান চৌধুরী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতিরা এলাকায় এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ভোট প্রচারে বাধা ও কর্মীসভাতে হামলা করছে। সভা বানচালের চেষ্টা করছে। আমরা সমস্ত ঘটনা রাজ্য নেতৃত্ব ও নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি। রাজ্য নেতৃত্বে জানিয়েছে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করতে। সেই মত আমি প্রচার বন্ধ রেখেছি। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে প্রচারে নামবো না। এদিকে এদিন আহতদের সঙ্গে দেখা করে ঈষা খান চৌধুরী ও কংগ্রেস কর্মী সর্মথকেরা চাঁচোল শহর জুড়ে ধিক্কার মিছিল করেন। এরপর চাঁচোল মহুকুমা শাসককে স্মারকলিপি তুলেদেন।

কংগ্রেস প্রার্থীর অভিযোগের সাথে সহমত হয়েছেন বিজেপিও। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যের প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে নজরদারি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন কর্মীসভা ও মিটিং মিছিলে অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে পাঠিয়ে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা সমস্ত বিষয় নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।

উত্তর মালদার সিপিএম প্রার্থী বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সন্ত্রাস করছে আমরা সমস্ত বিষয় নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ডাক্তার মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, নাচতে না জানলে উঠোন ব্যাঁকা। তাদের দলে কোন লোক নেই। প্রচারে লোক হচ্ছে না। তাই তাদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। নিচের তলার মাটি সরে যাওয়ায় এমন অভিযোগ করছে বিরোধীরা।

See More

Latest Photos