এখন নিজেকে নিরাপদ বোধ করছেন বলে দাবি করলেন কবি শ্রীজাত

Zoom In Zoom Out Read Later Print

বুধবার মালদা জেলার ৩০তম বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন কবি শ্রীজাত। কিছুদিন আগেই শিলচরে তার হেনস্থা ঘিরে রাজ্য তথা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা, ১৬ জানুয়ারি;

শিলচরের রেশ কাটতে না কাটতেই মালদা বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে নিজেকে নিরাপদ বোধ করছেন বলে দাবি করলেন কবি শ্রীজাত। এতদিন অসহিষ্ণু পরিবেশে ছিলেন বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

বুধবার মালদা জেলার ৩০তম বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন কবি শ্রীজাত। কিছুদিন আগেই শিলচরে তার হেনস্থা ঘিরে রাজ্য তথা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীজাতকে কেন্দ্র করে এবারে জেলার সাংস্কৃতিক জগতের মানুষদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিলো চোখে পড়ার মতো। ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যেও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

শ্রীজাত ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বাগত সেন, জেলার পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল, বই মেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ী, চেয়ারম্যান নীহার রঞ্জন ঘোষ ও ভাইস চেয়ারম্যান বাবলা সরকার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র সহ অন্যান্যরা।

এদিন মালদা বৃন্দাবনী ময়দান থেকে ট্যাবলো সহকারে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এক বিশাল মিছিল বের হয়। শহর পরিক্রমার পর শহরের পুরাটুলি এলাকার মহানন্দা নদীর পাড়ে বইমেলা প্রাঙ্গনে আসে। ফিতা ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে বইমেলার উদ্বোধন করেন কবি শ্রীজাত। তবে এবারের বইমেলায় স্থান পরিবর্তনকে নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মালদা কলেজে রজত জয়ন্তী বর্ষ হওয়ার কারণে এবারের বইমেলা মালদা কলেজ ময়দানে না হয়ে শহর থেকে বাইরে পুরাটুলি এলাকায় করা হয়।

বই মেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ী বলেন, বইমেলার স্থান পরিবর্তন নিয়ে কোন সমস্যা নেই। যারা বই প্রেমী মানুষ তারা সব জায়গাতেই আসবেন। এবারের বইমেলার থিম সম্প্রীতি। এবারের বইমেলায় ২২৫ টি স্টল রয়েছে। এটি রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম বইমেলা। জেলা শাসকের সাথে সাথে বাইরের বহু বইয়ের প্রকাশকরা এসেছেন।

কবি শ্রীজাত বলেন, মালদা জেলার বই মেলা দেখে আমি আপ্লুত। এখানকার সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ এবং তাদের সংস্কৃতির চর্চা যথেষ্ট উচ্চ মানের এবং প্রশংসার যোগ্য।

See More

Latest Photos